খবর রাজনীতি

এমপি বাবুর নির্দেশে কয়রায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় খাবার পানি পৌছে দিতে জনস্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যাপক প্রস্তুতি 

শাহজাহান সিরাজ, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি।।  ঘূর্ণিঝড় আম্পানে উপকূলীয় এলাকা খুলনার কয়রা উপজেলায় ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে লবন পানিতে ভেসে যায় ৪ টি ইউনিয়নের ৩২ টি গ্রাম এবং ক্ষতিগ্রস্থ হয় লক্ষাধিক মানুষ। এ সময় গভীর ও অগভীর প্রায় ১২০০ নলকুপসহ অর্ধ শতাধিক পুকুর লবন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট দেখা দেয়। তবে স্থানীয় কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবুর নির্দেশে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় খাবার পানি পৌছে দিতে ব্যপক প্রস্তুতি নেয়। যে কারনে খাবার পানি সংকট অনেকটা কমে আসে এবং দূর্গত এলাকায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বরদের মাধ্যমে পৌছে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০ হাজার পানির পট বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র এবং দূর্গত এলাকায় পৌছে দেওয়া হয়েছে বলে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছেন। সূত্র জানায় ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানার পরদিন ২১ মে থেকে বিগত ১৭ দিনে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ শতাধিক নলকুপ উচু করা এবং আরও ২ শতাধিক নলকুপ পরিক্ষা করা হয়েছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল জানান, খুলনা -০৬ এর মাননীয় সংসদ সদস্য ঘূর্ণিঝড় আম্পানের শুরু থেকে কয়রা সদরে অবস্থান করায় আমি তার সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ করি। তিনি বলেন মাননীয় সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করে দ্রুত ৪ টি ভ্রাম্যমান মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এর ব্যবস্থা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষ তা থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করছে। তিনি বলেন, ২১ শে মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৫৯৫ পরিবারে হাইজিং কিট বক্স বিতরণ করেছেন। এছাড়া চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের জন্য ২৩৮ টি ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পানির ট্যাংকি দূর্গত এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে। এ বিষয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু জানান, ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সেবা দিতে সরকারি সার্বিক সহযোগিতা অব্যহত আছে এবং খাবার পানি পেতে কাউকে কষ্ট পেতে না হয় সে জন্য সকল সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করছেন। তিনি আরও জানান, লবণ পানি মুক্ত হলে ক্ষতিগ্রস্থ ৩২ টি গ্রামে গভীর নলকুপ, পুকুর খনন, পানির প্লান্ট নির্মাণ ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ পানির ট্যাংকি দেয়া হবে।